• ঢাকা
  • মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , সকাল ০৭:২০
ব্রেকিং নিউজ
হোম / অনুসন্ধান ও অনিয়ম
রিপোর্টার : খুলনা সংবাদদাতা
খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের ফাদেঁ একাধিক পরিবার নিঃস্ব হবার অভিযোগ

খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের ফাদেঁ একাধিক পরিবার নিঃস্ব হবার অভিযোগ

প্রিন্ট ভিউ

কেএমপি’র নারী পুলিশ সদস্য আমেনা বিশ্বাসের ফাদেঁপড়ে একাধিক পরিবার আজ নি:স্ব বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

বিষয়টি নিয়ে কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি লিখিতঅভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার। 
তিনি বলেন,খুলনা মহানগরী এলাকার ফেরিঘাট  জামাতখানার বাসিন্দা সীমা ওশারমিন নামের দুই বোন। 
শারমিন তার লিখিত অভিযোগে বলেন, খুলনার কেএমপি সদর থানায় কর্মরত কনস্টেবল আমেনা বিশ্বাস নামেএক নারী পুলিশ সদস্য’র সঙ্গে দীর্ঘদিন সুসম্পর্ক তৈরি হওয়ার কারণে আমরা একে অপরের সাথে আর্থিক লেনদেন জড়িয়ে পড়ি। তবে হঠাৎকরে কনস্টেবল আমেনা পানির ব্যবসার কথা বলে আর বলে খুব লাভজনক ব্যবসা। আমরা দুজন অংশিদারি পানির ব্যবসা করব। আমি বলি এত টাকা আমি কোথায় পাবো? তবে মিষ্টি ভাষায় বিভিন্ন কথা বলে আমি সহ বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ক্রমান্বয়ে ৪০ থেকে ৫০লক্ষ টাকা তাকে প্রদান করি। এমনকি আমার জমি বিক্রির টাকাও তাকে দেই। এর মধ্যে আমেনা বলে আমার চাকরি প্রমোশনের কথা চলছে। আমাকে আর কিছু টাকা দেন, আমি বলি, আমার কাছে আর টাকা নেই। তবে, তিনি নাছোড় বান্দা আমাকে বলে আমি সরকারী চাকুরী করি আপনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি পালিয়ে যাবোনা। আমি কোন উপায় না পেয়ে পরিচিত এক বড় ভাই শিবলীর কাছে থেকে ও স্বর্ণবন্ধক রেখে প্রায় ১৭ লাখ টাকা দেই । 

সব মিলিয়ে সে আমার কাছ থেকে ৪৫ লাখ টাকা নেয়। আমাকে এর বিপরিতে দুটি চেক প্রদান করে তবে, এই চেক দিলেও তার ব্যাংকের উক্ত একাউন্টে কোন অর্থ নেই।

 আর আমার টাকা ফেরত দেওয়ার কোন নাম নাই। এমন কি আমার ফোন রিসিভও করেনা। আজ ভুক্তভোগী নিঃস্ব হয়ে পথে পথে ঘুরছে বলে জানান । 

এ বিষয়ে কেএমপি’র উপঃপুলিশ কমিশার (দক্ষিণ) এ্যাডিশনাল ডিআইজি মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, কেএমপিতে কর্মরত আমেনা বিশ্বাস নামে
একজন নারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশ কমিশনার স্যারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে শারমিন আক্তার নামে একজন । আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠণ করেছি। তদন্ত চলছে সত্যতা পেলে ব্যবস্থ্যা নেয়া হবে।

ক্রাইম

আরও পড়ুন